সেরা ১০ দর্শনীয় স্থান বাংলাদেশের | বাংলাদেশের সেরা ১০ পর্যটন কেন্দ্র | বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান ২০২২

আপনি কি বেড়াতে ভালোবাসেন? তাহলে কম খরচে দেশেই ঘুরতে পারেন বিভিন্ন জায়গায়। বেড়ানোর মতো প্রচুর জায়গা আছে আমাদের দেশে। প্রত্যেক বছরই পর্যটন খাত থেকে বার্ষিক বাজেটের একটি বড় অংশ আয় হয়। এমনকি প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের একটি অংশ বরাদ্দ থাকে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন আর সমৃদ্ধির জন্য।   আপনি কি বেড়াতে ভালোবাসেন? তাহলে কম খরচে দেশেই ঘুরতে পারেন বিভিন্ন জায়গায়। বেড়ানোর মতো প্রচুর জায়গা আছে আমাদের দেশে। প্রত্যেক বছরই পর্যটন খাত থেকে বার্ষিক বাজেটের একটি বড় অংশ আয় হয়। এমনকি প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের একটি অংশ বরাদ্দ থাকে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন আর সমৃদ্ধির জন্য।   আপনি কি বেড়াতে ভালোবাসেন? তাহলে কম খরচে দেশেই ঘুরতে পারেন বিভিন্ন জায়গায়। বেড়ানোর মতো প্রচুর জায়গা আছে আমাদের দেশে। প্রত্যেক বছরই পর্যটন খাত থেকে বার্ষিক বাজেটের একটি বড় অংশ আয় হয়। এমনকি প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের একটি অংশ বরাদ্দ থাকে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন আর সমৃদ্ধির জন্য।

সেরা ১০ দর্শনীয় স্থান বাংলাদেশের | বাংলাদেশের সেরা ১০ পর্যটন কেন্দ্র | বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান ২০২২
বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান

দেশের পর্যটনশিল্প বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই করোনাকালীন সময়ে। সেইসাথে এই খাতের সাথে জড়িত জনবলকে বইতে হয়েছে লোকসানের ভার। এই পর্যটন ব্যবসার সাথে জড়িত ছোট- বড় অনেক হোটেল, খাবারের দোকানসহ প্রচুর ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। সেই পর্যটনশিল্পের বর্তমান অবস্থা জানতে একটি জরিপ চালায় বাংলাদেশ পরিসংখানে ব্যুরো। সেই জরিপে মোট দেশজ আয়ে পর্যটন শিল্পের অবদান, পর্যটকের সুবিধা- অসুবিধা, খরচ, সময় এবং পরিবহন ব্যবস্থার ত্রুটি তুলে ধরা হয়েছে।
এছাড়া জরিপে ঘুরতে যেতে পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশের ২৪টি স্থানের নাম উঠে এসেছে। তার মধ্যে তালিকায় থাকা প্রথম দশটি স্থানের নাম জানবো যেগুলো সবচেয়ে জনপ্রিয় হিসেবে স্থান পেয়েছে। এইসব দর্শনীয় স্থানের মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জায়গা অন্তর্ভূক্ত আছে। জরিপে দেখা গেছে, সমুদ্র, পাহাড় আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর জায়গাগুলোর প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেশি। এছাড়া প্রাচীন অন্ঞ্চল এবং ইতিহাসের প্রতি টান থেকেও অনেক পর্যটক বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যান। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্যবইয়ের বাইরে জানার আগ্রহ থেকে জাদুঘর এবং ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোতে ভ্রমণের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।
 
 
আপনি কি বেড়াতে ভালোবাসেন? তাহলে কম খরচে দেশেই ঘুরতে পারেন বিভিন্ন জায়গায়। বেড়ানোর মতো প্রচুর জায়গা আছে আমাদের দেশে। প্রত্যেক বছরই পর্যটন খাত থেকে বার্ষিক বাজেটের একটি বড় অংশ আয় হয়। এমনকি প্রতিবছর জাতীয় বাজেটের একটি অংশ বরাদ্দ থাকে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন আর সমৃদ্ধির জন্য। যদিও ব্যবস্থাপনার কমতি আর বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ প্রায়ই উঠে হোটেল মালিক আর বাস কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে। সুযোগ বুঝে খাবারের দামও বাড়িয়ে দেয় ব্যবসায়ীরা। তবে সেসব এবারের আলোচনার বিষয় নয়।
আজকে জানবো বাংলাদেশের এমন দশটি জায়গার নাম যা ভ্রমণপিপাসুদের কাছে ভীষণ প্রিয় এবং জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। সম্প্রতি পরিসংখ্যান ব্যুরোর করা জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
একদিনের চেয়ে বেশি যারা এক জায়গায় ছিলেন তাদের কাছ থেকেই জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
 
এদিকে করোনার ধকল সামলে এখন কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে পর্যটন খাত। আপনি হয়তো ভাবছেন অনেক দিন বন্ধ আর বন্দী জীবন কাটানোর পর এবার একটু মুক্ত বাতাসের প্রয়োজন। হয়তো চিন্তা করছেন দূরে কোথাও বেড়াতে যাবেন। কিন্তু কোথায় গেলে ভালো হয় সেটা ঠিক করতে পারছেন না। আজকে আলোচনা করবো বাংলাদেশেরই দশটি বিখ্যাত পর্যটন তথা দর্শনীয় স্থানের নাম যেখান থেকে আপনি পরিবার, আত্মীয়স্বজন সহ ঘুরে আসতে পারেন। সেগুলো কি কি এবং কিভাবে যেতে হবে জানতে হলে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। আশা করি, আপনাদের উপকারে লাগবে।
 
১. কক্সবাজার
 
এই তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারের নাম। এই এলাকায় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত দেখতে বছরের বারো মাসই পর্যটক আসেন। দেশি- বিদেশি বিভিন্ন ভ্রমণপিপাসুদের মিলনমেলা যেন এই সমুদ্র সৈকত। তাছাড়া সমুদ্রের পাড়ে গেলে মন ভালো হয়ে যায়। তীরে ঢেউয়ের আছড়ে পড়া, পালাক্রমে জোয়ার আর ভাটার আগমন, বালুচরে বেড়াতে, ঝিনুক কুড়াতে কার না ভালো লাগে।
 
অন্তহীন সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কখন যে জীবনের সব দুঃখগুলো অতলে হারিয়ে যায় টেরই পাওয়া যায় না। সমুদ্র যেন নিজের বুকে টেনে নেয় সব যন্ত্রণাগুলো। যদিও অব্যবস্থাপনা আর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে এই পর্যটন এলাকাটিকে কেন্দ্র করে।
সমুদ্র ছাড়াও অন্যান্য পর্যটন এবং বিনোদনকেন্দ্র রয়েছে কক্সবাজারে। এছাড়া রয়েছে বার্মিজ মার্কেট, মহেশখালী দ্বীপ, মেরিন ড্রাইভ রোড, হিমছড়ি ঝরণা, ফিশ অ্য্যাকুরিয়ামসহ আকর্ষণীয় সব স্হান।
 
যেভাবে যাবেন:
 
ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারে বাস যায়। যেগুলো বেশিরভাগই নাইট কোর্সের গাড়ি। এছাড়া আপনি ট্রেনে চট্টগ্রাম গিয়ে স্টেশন রোড নেমেতারপর অলংকারের মোড় বা এ কে খান থেকে লোকাল বাস ধরেও প‍ৌছে যেতে পারেন কক্সবাজার শহরে। বাসগুলো সর্বোচ্চ কলাতলী মোড় পর্যন্ত যাবে। এরপর হোটেল বুকিং করা থাকলে আপনাকে রিক্সা বা অটো নিয়ে যেতে হবে।
 
. পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
 
সমুদ্রের নীলচে রুপ আর অন্তহীন বয়ে চলা পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। এজন্যই লিস্টে দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের নাম। সৈকতের পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় উন্নত করার পরে পর্যটক বেড়েছে। এছাড়া পতেঙ্গার মুচমুচে ছোট পেঁয়াজু আর চটপটি- ফুচকা ভীষণ মজার খেতে এবং বেশ বিখ্যাত। সৈকতের পাশেই ছোট ছোট অস্থায়ী দোকানে এসব খাবার বিক্রি হয়। ঠান্ডা পানীয়, চিপস, আচার, আইসক্রিম সবই পাওয়া যায়।
 
যেভাবে যাবেন:
 
আপনি চাইলে চট্টগ্রাম শহর থেকে যে কোনো সিএনজি ভাড়া করে বা শেয়ারে যেতে পারেন পতেঙ্গা। অথবা ১৫ নম্বর ঘাটে চলে এসে বিমানবন্দর পর্যন্ত যে ছোট লোকাল গাড়িগুলো যায় সেটাতে করেও যেতে পারেন। আর কর্ণফুলি নদীর ঐপাড়ে হলে বোট বা সাম্পান দিয়ে নদী পার হয়ে এরপর সিএনজি নিয়ে চলে যেতে পারেন পতেঙ্গা। একশ থেকে দুইশ টাকা পর্যন্ত ভাড়া চাইতে পারে। আর বোটের ভাড়া জনপ্রতি ২০ টাকা। একইসাথে সমুদ্র দেখা আর কর্ণফুলী নদী ভ্রমণ দুটোই হয়ে যাবে।
 
৩. কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
 
জরিপে প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী তিন নম্বরে আছে কুয়াকাটার নাম। তার মানে প্রথম তিনটি পজিশন দখল করে রেখেছে সমুদ্র। শহুরে ব্যস্ততা, ইট- পাথরের রাজত্ব
আর কৃত্রিমতার ভিড় হতে কিছুটা স্বস্তি পেতে মানুষ সাগরপাড়ে যায়। সূর্যোদয়- সূর্যাস্ত দেখে আর প্রাণভরে শ্বাস নেয়। একই স্থান হতে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখার মতো বিরল অনুভূতির স্বাদ পেতে একবার হলেও ঘুরে আসুন কুয়াকাটা।
 
যেভাবে যাবেন:
 
ঢাকা হতে বাসে করে পটুয়াখালী যাবেন। এরপর সেখান থেকে সুবিধামতো পরিবহনে (রিক্সা, অটো, সিএনজি, ভ্যান) করে চলে যাবেন কুয়াকাটা।
 
৪. শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, সিলেট
 
চায়ের রাজধানী নামে খ্যাত শ্রীমঙ্গলে চা বাগান দেখতে আর ছবি তুলতে অনেকেই সেখানে ভিড় করে। লিস্টে এটি চতুর্থ স্থান দখল করে আছে। আসল আর তাজা চায়ের স্বাদ পেতে ঘুরে আসতে পারেন শ্রীমঙ্গল। সবুজের সমারোহ দেখতে পাবেন সেখানে।
 
যেভাবে যাবেন:
 
ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে করে সিলেট যাবেন। সেখানে একরাত থেকে পরেরদিন শ্রীমঙ্গল চলে যাবেন। আপনি চাইলে বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসও ধরতে পারেন। আবার গাড়ি ভাড়া করেও যেতে পারেন। সিলেটের এক একটা স্পট বেশ দূরে দূরে। তাই লোকাল বাসে গেলে আপনি একদিনে একটার বেশি জায়গা ঘুরতে পারবেন না। অন্যদিকে ভাড়া গাড়িতে গেলে একদিনে সর্বোচ্চ ছয়- সাতটা স্পটে ঘুরতে পারবেন। আর ঢাকা থেকে গাড়ি নিয়ে গেলে সরাসরি মৌলভীবাজার চলে যাবেন। চা বাগানর কাছেই বাংলো বা গেস্ট হাউজ ভাড়া দেয়া হয়। চাইলে সেখানে উঠতে পারেন। কিছুটা অ্যাডভেঞ্চার হয়ে যাবে আর নিরিবিলিতে থেকে আসতে পারবেন।
 
৫. বান্দরবন
 
বেড়ানো নিয়ে কথা হচ্ছে আর বান্দরবনের নাম থাকবে না তা কি হয়? তালিকায় পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে বান্দরবন। সমুদ্রের পাশাপাশি অনেকে আবার পাহাড়ও পছন্দ করেন। আঁকাবাঁকা রাস্তায় চলা, চান্দের গাড়িতে চড়া, নিচ থেকে উপরে পাহাড়ের গা বেয়ে ওঠা- এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি! পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে চোখে পড়ে বিশাল আয়না যার কিনা রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা। ভাবা যায়? এছাড়া নীলাচল, নীলগিরি, মেঘলা, রুমা ঝরণা কিংবা সাজেক যেতে হলে আপনাকে বান্দরবনে যেতেই হবে।
 
যেভাবে যেতে পারেন:
 
ঢাকা থেকে সরাসরি রাতের বাস আছে যেগুলো রাঙ্গামাটি হয়ে বান্দরবন যায়। এছাড়া চট্টগ্রাম পর্যন্ত গিয়ে এরপর সেখান থেকে বাসে বা গাড়িতে করে যেতে পারেন।
 
৬. সাজেক উপত্যকা
 
একটু আগেই বান্দরবনের প্রসঙ্গ উঠতেই সাজেকের নাম চলে এসেছে। তালিকায় ছয়ে রয়েছে সাজেকের নাম। মেঘের রাজ্য নামে খ্যাত সাজেক প্রকৃতির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে যেন। বছর দুই আগে ফেসবুকের কল্যাণে সাজেকের নাম দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার পর্যটক সাজেকে বেড়াতে যায়। এখন সেখানে শতাধিক রিসোর্ট আর কটেজ গড়ে তোলা হয়েছে।
 
যেভাবে যেতে হবে:
আপনি চাইলে ঢাকা থেকে সরাসরি রাতের বাসে অথবা চট্টগ্রাম হয়েও যেতে পারেন। সাজেক পৌছাতে আপনার একদিন লাগবে। কিন্তু সেখানে পৌছে আকাশের সৌন্দর্য্য আর মেঘের আনাগোনা দেখে আপনার মন এমনিতেই ভালো হয়ে যাবে।
 
৭. বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর:
 
নারায়ণগঞ্জের অদূরৃ সোনারগাঁয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর পর্যটকদের কাছে বেশ সমাদৃত। বিভিন্ন সময় এখানে মেলা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। দেশীয় পণ্য ও ঐতিহ্য প্রদর্শনের এক বিশাল মঞ্চ। ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। পরে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় তা প্রতিষ্ঠিত হয়।
 
যেভাবে যাবেন:
ঢাকা থেকে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ এবং সেখান থেকে সোনারগাঁ হয়ে বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরে যেতে পারেন। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত।
 
৮. রাঙামাটি
 
রাঙামাটি এই তালিকায় আট নম্বরে স্থান পেয়েছে। কাপ্তাই হ্রদ, ঝুলন্ত সেতু, রাজবন বিহারসহ আরও বিখ্যাত জায়গা দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে রাঙামাটি। পাহাড়ি সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারবেন সেখানে।
 
যেভাবে যেতে হবে:
 
ঢাকার থেকে সরাসরি বাসে গিয়ে রাঙামাটি বাসস্ট্যান্ডে নামবেন। অথবা চট্টগ্রাম হয়েও চাইলে যেতে পারেন। এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি মাইক্রো নিয়ে পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি। ক্যাম্প করার জন্য অনেক উপযুক্ত জায়গা পাবেন সেখানে।
 
৯. সুন্দরবন
 
তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনভূমি সুন্দরবনের নাম। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের কারণে সুন্দরবন এমনিতেই বিখ্যাত। সেখানে মানুষ যায় প্রকৃতি আর মানুষের মিতালি দেখতে। নৌকা বা বটে চড়ে বনের ভেতরে গা ছমছমে অনুভূতি নিয়ে নৌকা ভ্রমণ করতে। এইসব অনুভূতি আর অভিজ্ঞতার আসলে কোনো তুলনাই হয় না!
 
যাবেন যেভাবে:
সুন্দরবনে যেতে হলে বেশিরভাগ পর্যটক নদীপথে যেতেই পছন্দ করে। লঞ্চ বা ছোট জাহাজে চড়ে চলে যাবেন খুলনা হতে সুন্দরবন।
 
১০. বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা, মিরপুর
 
বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা বেশ বড় এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে। ঢাকা শহরের ভেতরে অবস্থিত হওয়ার পরেও চিড়িয়াখানার সীমানার মধ্যে রয়েছে বিশাল হাঁটার জায়গা। এর পাশেই বিসিআইসি স্কুল এবং কলেজের অবস্থান। তালিকায় দশম স্থানে রয়েছে এই চিড়িয়াখানার নাম।

 
বনের বাঘ, সিংহ, হাতিরা চিড়িয়াখানায় এসে পেয়েছে বাহারি নাম। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের নাম টগর আর বেলী। জলহস্তির মতো বিশালদেহী প্রাণীর নাম ফাল্গুনী। ১৮৬ একর জমির উপর অবস্থিত এই চিড়িয়াখানায় অব্যবস্থাপনার ছাপ স্পষ্ট। তবুও প্রায় তিন হাজার পশুপাখির বাস সেখানে।
 
যেভাবে যাবেন:
ঢাকা চিড়িয়াখানায় যেতে হলে সরাসরি মিরপুর-১ হয়ে চিড়িয়াখানা রোডে যে বাসগুলো যায় সেগুলোতে করে চলে যেতে পারেন। এর পাশেই রয়েছে বোটানিক্যাল গার্ডেন। বাসগুলো একদম চিড়িয়াখানার গেটে আপনাকে নামাবে। ফেরার সময় চাইলে ৪০ টাকা দিয়ে এক প্লেট মুচমুচে ফুচকা অথবা চটপটি খেয়ে আসতে পারেন।
 
অন্যান্য যেসব স্থান পর্যটকদের পছন্দ:
 
এই স্থানগুলো ছাড়াও পছন্দের তালিকায় আরও রয়েছে- মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন, ছেঁড়াদ্বীপ, সিলেটের জাফলং, সাদাপাথর, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় অবস্থিত বাউলসম্রাট ফকির লালন শাহের মাজার, সিলেটে অবস্থিত হযরত শাহজালালের মাজার, ঢাকার লালবাগ কেল্লা, দিনাজপুরের কান্তজির মন্দির, বগুড়ার মহাস্থানগড়, খাগড়াছড়ি, নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, সিলেটের সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল, সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রাতারগুল ও বিছনাকান্দি, খৈয়াছড়া ঝরণা, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ, শাহবাগের জাতীয় জাদুঘর, পুরান ঢাকার আহসান মন্ঞ্জিল, শিশুপার্ক ইত্যাদি।
 
এসব জায়গাগুলোতে কম- বেশি লোকের আনাগোনা থাকেই। তবে প্রাচীন নিদর্শনগুলো সংরক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকারি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।
 
এই ছিলো দশটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান এবং এদের সংক্ষেপে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি। চেষ্টা করেছি কিভাবে যাবেন সেই সম্পর্কেও ধারণা দেবার। একটাই তো জীবন। বেড়িয়ে আসুন বিখ্যাত কোনো স্থান হতে। মন ভালো হয়ে যাবে আর রোজকার একঘেয়েমিও কেটে যাবে। পোস্টটি পড়ে আপনাদের কেমন লাগলো? এরপর কোথায় বেড়াতে যাবেন বলে ঠিক করেছেন? কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
 
@বিডি বাংলার নিউজ