SEO কি ? Search Engine Optimization সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

SEO Full meaning হলো Search Engine Optimization. আজকে এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে SEO সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারনা দেবার জন্য। এই কন্টেন্টের মাধ্যমেই SEO সম্পর্কে আমরা চেষ্টা করবো পুরো ধারণাটা দিতে। এসইও কি? সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এর জন্য আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে।

SEO কি ? Search Engine Optimization সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
Search Engine Optimization - BDBANGLARNEWS

আর্টিকেলের শুরুতেই জেনে নেবো SEO আসলে কি এবং কিভাবে কাজ করে। SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে শুরুতেই আমাদের ধারণা থাকে না এটা সত্য। যখন আমরা একটি  website Create করে আর্টিকেল বা ব্লগ অথবা কনটেন্ট লিখতে থাকি, আমরা দেখি যে, খুব বেশি ভিসিটর আসছে না সাইটে, কেন?

কারণ সাইটটি নতুন আর বেশি মানুষ এটা সম্পর্কে জানেও না। আর এই SEO হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যা আপনার সাইটে হাজার হাজার ট্রাফিক, ভিসিটর এনে দিতে পারে। সেই সাথে বাড়বে আপনার ওয়েবসাইটের রেটিং ও। যদি ওয়েবসাইটে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন না করা থেকে তাহলে সেই সাইট কখনোই ভালো অবস্থানে যেতে পারে না। তাই প্রত্যেক ব্লগার এবং সাইট মালিকদের SEO সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।



SEO কি কাজে লাগে? 

যখন আমরা একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবো তখন তার পাশাপাশি SEO আর তার সাথে সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে ধারণা থাকতে হবে। এই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন আমাদের সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসে। পাশাপাশি পেইজ রেঙ্ক করিয়ে দেয়। আর তখন আপনি অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আর্টিকেল আর কন্টেন্ট লিখে আপনার ব্লগ থেকেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অনলাইনে টাকা ইনকাম করার একটি সহজ আর কার্যকর উপায় হল ব্লগ লেখা আর আর্টিকেল এর মাধ্যমে উপার্জন করা।

SEO and Website এর মধ্যে সম্পর্ক কি?

এই SEO নামটা ছোট হলেও এই বিষয়টি কিন্তু ততটা সহজ নয়। Search Engine Optimization শেখানোর জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ট্রেনিং দিয়ে থাকে। সেখান থেকে ট্রেনিং নিয়ে বা অনলাইন টিউটেরিয়ালের মাধ্যমেও আপনি এসইও সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবেন। বিষয়টি বেশ জটিল হলেও আমি চেষ্টা করবো সহজভাবে বুঝানোর জন্য। কারণ একটি ওয়েবসাইট দাঁড় করাতে হলে আপনাকে SEO সম্পর্কে জানতে হবে।

কখনোই একটা website একলা দাঁড়াতে পারে না। কন্টেন্ট যতই ভালো হোক, দর্শক না আসলে আপনার কন্টেন্ট কখনোই ভালো রিভিউ পাবে না। তখন গুগল আপনার ওয়েবসাইট চিনবেই না। তাহলে আপনি আয় করবেন কিভাবে? এমনকি আপনার সাইট থেকে আয় করাও কঠিন হয়ে যাবে। একবার যদি খুব ভালোভাবে SEO Set-Up করা যায়, তাহলে খুব সহজেই পেইজ বা সাইট ফাস্ট ভিউ পাবে। টপ লিস্টে উঠে আসবে। সার্চে নাম উঠে আসবে। ট্রাফিক বেশি আসলে কন্টেন্টের মাধ্যমে আয়ও ভালো হবে। আর এগুলোকে বলা হয় অর্গানিক ট্রাফিক যা স্থিতিশীল। এদের মধ্যে এমন অনেকে আছে যারা নিয়মিতই দেখা যাবে সাইটে আসছে অর্থাৎ রিপিট ভিজিটর।



আশা করছি, এই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে পুরোটা পড়লে SEO সম্পর্কে টুকটাক বিষয় যা আছে সেই সম্বন্ধে ধারণা হয়ে যাবে। আর এরপর আপনি নিজের ওয়েবসাইট এ ভিউ, ট্রাফিক আর রেটিং সবই আনতে পারবেন।

আরও জানুনঃ

১৮ টি অনলাইনে অর্থ উপার্জনের সেরা উপায় | 18 Best Ways to Make Money Online 2022

আপনার NID দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে দেখে নিন

SEO বা Search Engine Optimization কি?

আজকের কন্টেন্টের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন তথা SEO নিয়ে আলোচনা করা। হ্যাঁ, এটি একটি ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয় যা অনলাইন ব্যবসা এবং ওয়েবসাইট রানিং আর ইনকামের সাথে জড়িত। এর আক্ষরিক কোনো বাংলা অর্থ নেই। প্রযুক্তির বিবর্তনের সাথে সাথে এই SEO টার্মটির আবির্ভাব হয়েছে।

What is search engine optimization in Bengali? এক কথায় বলতে গেলে, আমাদের ওপেন করা  website গুগল বা ক্রোম বা ফায়ারফক্সের মতো সার্চ ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত করাকে বলা হয় Search Engine Optimization বা এসইও

এবার ধরুন, আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন এবং তাতে নিয়মিত ভালো ভালো কন্টেন্ট প্রকাশ করছেন। অথচ ভিজিটর নেই কেন? কারণ আপনার সাইটটির সাথে গুগল, ইয়াহু বা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিন পরিচিত নয়। তাহলে দর্শক আসবে কি করে? অনেক রকম উপায় আছে Search Engine এর সাথে ওয়েবসাইট যুক্ত করার। সেই পদ্ধতিগুলোকে একত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ওয়েস বলে।

How website can be connected to search engine:

এখন একটা সাইটকে তো আর এমনি এমনি সার্চ ইঞ্জিনের অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না। তার জন্য কিছু নিয়ম - কানুন আছে। সাইটে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে। আর সেই সাইটটিকে অপটিমাইজেশনের উপযুক্ত করে তুলতে হবে। একটা সাইট কখনোই খোলার সাথে সাথে অপটিমাইজেশন পায় না।

এখন আমরা যদি গুগল সার্চ ইঞ্জিনের কথা বলি, সমগ্র পৃথিবীর প্রায় ৯২℅ ট্রাফিক আসে গুগল থেকে। গুগলের সাথে সাইটকে অপটিমাইজ করার প্রায় ২০০ টি পন্থা আছে। তার যে কোনো একটি দিয়েই আপনি কাজ করতে পারেন। গুগলের সাথে সাইট যুক্ত করার পদ্ধতিকে বলা হয় গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

কি? এখন কিছুটা সহজ মনে হচ্ছে না বিষয়গুলো? আসুন আরও বিস্তারিত জেনে নেই.....



ওয়েবসাইটে কিভাবে ভিজিটর / ট্রাফিক আসে?

ওয়েবসাইট তৈরি এবং ডেভলপমেন্ট করার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো অর্থ উপার্জন করা। সেইজন্য সাইটে দর্শক আসতে হবে। আর সাইট তৈরি করার পরেই আমরা চেষ্টা করি সাইটে কিভাবে দর্শক আনা যায়?

এর জন্য তিনটি প্রধান উপায় আছে-

১. সোশ্যাল মিডিয়া: আপনার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টুইটার আইডিতে আপনার লেখা আর্টিকেলটি লিংকসহ পোস্ট করতে পারেন। এতে আপনার সাইটটি পরিচিতি পাবে এবং লিংকের মাধ্যমে দর্শক আসবে। তবে এটি বেশ দীর্ঘমেয়াদি উপায় নয়। বড়জোর ৫০০ জন ভিজিটর পাবেন এর মাধ্যমে।

২. পেইড প্রমোশন করা: একে বাংলাতে টাকা খরচ করে প্রমোশন বলে। আপনি আপনার ওয়েবসাইট টি টাকা দিয়ে প্রোমোট করতে পারেন অ্যাডের মাধ্যমে। তবে এর জন্য যথেষ্ট অর্থ ইনভেস্ট করতে হবে। তবে তা যদি সামর্থ্যের বাইরে হয়, তবে এই পথ না যাওয়াই ভালো।

৩. Free SEO এর মাধ্যমে: Search Engine Optimization এর মাধ্যমেও website দাঁড় করানো যায়। যদি সঠিকভাবে এই কাজটি করা যায়, তাহলে ভালো সংখ্যক দর্শক আসবে সাইটে। অথচ কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না।

এবার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যা SEO এর সাথে সম্পর্কিত।

A to Z on SEO:

এই SEO establish করার 200 টি পদ্ধতি আছে। এর মধ্যে প্রাথমিক বা প্রাইমারি দুটি পদ্ধতি হলো- White Hat SEO (হোয়াইট হ্যাট এসইও) বা Black Hat SEO (ব্ল্যাক হ্যাট এসইও)। এই দুটি উপায় নিয়েই বেশি আলোচনা হয়।জেনে নেই এই পর্যায়ে, এই পদ্ধতিগুলো আসলে কিভাবে কাজ করে আর কতটা কার্যকর।

White Hat SEO:

গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে নাম আসার জন্য কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি গুগল বলে দিয়েছে। সেইভাবে যদি আর্টিকেল বা কন্টেন্টের জন্য ওয়েবসাইটে ভিউ নিয়ে আসতে পারি আর সার্চ ইন্ঞ্জিনে নাম উঠে আসে সেটাকে বলা হয় White Hat SEO। সুন্দর করে একটি আর্টিকেল লেখা, উপযুক্ত টাইটেল ব্যবহার করা, কিওয়ার্ড পোস্টের হিসেবে বিষয়বস্তুর সাথে মিলিয়ে লেখা, রিলেটেড ইমেজ যোগ করা, ইমেজ অলটার টাইটেল দেয়া, হেডার ট্যাগ, মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা ইত্যাদি। এভাবে অপটিমাইজেশন করতে পারলে সেটাকে বলে White Hat SEO।



Black Hat SEO

এটি হলো White Hat SEO এর বিপরীত ধারণা। তবে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনে যুক্ত করতে হলে এই পদ্ধতিও কাজে লাগে। এই ধরণের SEO এর ক্ষেত্রে বেশি কষ্ট করতে হয় না। কেন জানেন? ট্যাগের ব্যবহার, উপযুক্ত টাইটেল ছাড়াও আর্টিকেল লিখলে ওয়েবসাইট সার্চ লিস্টে চলে আসতে পারে।

এবার আসি ব্ল্যাক হ্যাট এসইও কি। হোয়াইট হ্যাট এসইও এর কিছুটা বিপরীত ধারণা, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের ওয়েবসাইট কে বা আর্টিকেলকে সার্চ রেজাল্টে নিয়ে আসতে পারি। এক্ষেত্রে বেশি কষ্ট করার প্রয়োজন হয় না।

ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর ক্ষেত্রে একটি উপযুক্ত আর্টিকেল লেখার প্রয়োজন হয় না সেখানে ইমেজকে অপটিমাইজেশন হেডার ট্যাগ ব্যবহার কি ওয়ার্ড এর যথার্থ অপটিমাইজেশন না করলেও তা গুগোল এর সার্চ রেজাল্টে চলে আসে। তবে এটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনো পন্থা নয়। গুগল এটিকে সাপোর্ট করে না। জোর করে কিছুদিন সার্চ লিস্টে যুক্ত থাকলেও এরপর আপনার সাইটটি ব্লক হয়ে যেতে পারে বা গুগলের সুপারিশে বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

যেহেতু বেশিদিন টিকে থাকা যায় না আর সাইট বন্ধ হবার আশঙ্কা থাকে তাই এই পদ্ধতি অবলম্বন না করাই ভালো। ইনকাম যখন করবেন তখন ভালোভাবেই কাজ শুরু করা ভালো।

এবার কথা বলবো অন পেইজ এসইও (On page SEO) নিয়ে। তার সাথে ছোট ছোট আরও কিছু বিষয় যুক্ত আছে।

অন পেইজ এসইও / on page SEO:

অন পেইজ এসইও এর মাধ্যমেও যে কোনো ওয়েবসাইট সার্চ লিস্টে নিয়ে আসা যায়। অন পেজ এসইও এর মধ্যে যে বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত আছে বা থাকে সেগুলো আমাদের ওয়েবসাইট বা আর্টিকেলে যথাযথভাবে ব্যবহার করলে আমাদের পেজ বা ওয়েবসাইট কে সার্চ রেজাল্টে নিয়ে আসতে পারি। এক্ষেত্রে যে যে বিষয়গুলি গুরুত্বপূর্ণ আমরা এখন সেই বিষয়ে দৃষ্টিপাত করবো।

Website Name Tag :

আমাদের সাইটের নামটিকে প্রথম ভাবনাতে আনতে হবে। কারণ এটি একটি মেটা ট্যাগ। ব্যবহারকারীরা এই নাম সার্চ করে বা ট্যাগ ব্যবহার করেও ওয়েবসাইট সার্চ করতে পারবে। তখন সাইটের সব আর্টিকেল আর ব্লগ দেখতে পারবে।

Website Meta Description :

On Page SEO এর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিষয়টি হলো একটি বর্ণণা বা ডেসক্রিপশন যুক্ত করতে হবে সাইটের সাথে। এই বর্ণণা সাইট সম্পর্কে ভিজিটরদের ধারণা দেবে। এখানে html tag ব্যবহার করে ফোঝাতে হয় পেইজটি আসলে কি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হয়েছে। এই মেটা ডেসক্রিপশনের কাজ হলো যেকোনো সার্চ ইঞ্জিনের সঙ্গে আমাদের ওয়েবসাইটের বিষয়টিকে পরিচয় করে দেয় এবং সেই সার্চ ইঞ্জিন আমার ওয়েবসাইটের বিষয়টি জেনে সেখানে ভিজিটর বা দর্শক পাঠাতে থাকে। তখন সাইটের রেটিং বাড়ে।



Meta Keywords :

কিছু নির্ধারিত Meta keyword ওয়েফসাইটের সাথে যুক্ত করতে হবে। এই কিওয়ার্ড কন্টেন্টগুলো আর ব্লগের লেখার সাথে সম্পর্কিত হতে হবে। পরবর্তীতে কেউ এসব কিওয়ার্ড সার্চ করলে তখন আমাদের সাইট বা লেখাগুলোও তাদের সামনে চলে আসবে। সেগুলো তারা দেখলে ভিজিটর বাড়বে। লেখা ভালো হলে কমেন্ট আর পজিটিভ ফিডব্যাক আসবে।

লিংকিং 

ধরুন আপনি একটি আর্টিকেল লিখলেন। আর প্রসঙ্গ টেনে সেখানে আপনারই সাইটের অন্য লিংক বা আর্টিকেলের লিংক যুক্ত করে দিলেন। একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝাই। মনে করুন আপনি শরীরচর্চার বিষয়ে লিখছেন। তখন শরীর ব্যথা হলে কি করণীয় সেই প্রসঙ্গে একটা আর্টিকেল আগেই লিখেছেন। তখন প্রসঙ্গ টেনে সেই আর্টিকেলের লিংক বর্তমানের আর্টিকেলের সাথে যুক্ত করে দিলেন। যাদের ইচ্ছা হবে তারা আপনার নতুন আর লিংক থেকে পুরনো আর্টিকেলটিও দেখলেন। আপনার ট্রাফিক বাড়লো। এটি হলো অন পেইজ এসইও এর একটি প্রক্রিয়া।

আর্টিকেল টাইটেল :

একটি আর্টিকেল লেখার সময় বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক একটি টাইটেল অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। তখন টাইটেল থেকেই দর্শক ধারণা করতে পারবে আর্টিকেলটির বিষয়বস্তু আসলে কি। এইক্ষেত্রে কিওয়ার্ড গুলোকেও বিবেচনায় আনতে হবে। হেডলাইন প্রতিটি ব্লগ পোস্টের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সার্চ ডেসক্রিপশন :

সার্চ ডেসক্রিপশনে কি করতে হবে? পোস্ট বা আর্টিকেলের মূল সারাংশের অংশটিকে কপি করে পেস্ট করে দিতে হবে। এই মূল বিষয়টিকে পড়ে সার্চ ইন্ঞ্জিনগুলো বুঝে যায় আর্টিকেল বা কন্টেন্টের বিষয়বস্তু কি। সেই সাথে ভেটা ট্যাগ বা কিওয়ার্ড যুক্ত করে দিলে খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

ইমেজ অপটিমাইজেশন :

আর্টিকেল বা ব্লগের সাথে ইমেজ যুক্ত থাকলে পোস্টটি সুন্দর দেখায় আর সেইসঙ্গে দর্শক আকৃষ্ট হয়। অনেকসময় অপটিমাইজ করা ইমেজ থেকেও দর্শক চলে আসতে পারে আপনার সাইটে। এজন্য কখনো সরাসরি গুগল থেকে ডাউনলোড করে ছবি সাইটে দেবেন না। কিছুটা এডিট করে দিবেন। এতে কি হবে? আপনার ইমেজ দেখে ভালো লাগলে বিজিটর ক্লিক করে আপনার পোস্ট পড়তে আসবে।

ইমেজ যুক্ত করার পূর্বে টাইটেল আর Alt tag দিতে ভুলবেন না। কখনো কখনো পোস্ট না আসলেও ছবি চলে আসে সার্চিং সাইটগুলোতে। তখন ছবির মাধ্যমে হলেও আপনার লেখা মানুষের কাছে পৌছাচ্ছে।



এরপর কথা বলবো সাইটম্যাপ নিয়ে।


আরো পড়ুনঃ

বিনিয়োগ ছাড়াই অনলাইনে কীভাবে অর্থ উপার্জন করবেন

সাইটম্যাপ তৈরি :

এটিও অন পেইজ SEO Optimization করার একটি উপায়। এটি হলো সাইটের সমস্ত আর্টিকেলের রিপ্রেজেনটেটিভ। আপনার সাইটে কি কি বিষয়ে আর্টিকেল আছে তা সার্চ ইন্ঞ্জিনকে বুজিয়ে দেয় সাইটম্যাপ। এমনকি আপনি কোনো নিউজ বা আর্টিকেলের কারণে নতুন কোনো সাইটে প্রবেশ করলে অবশ্যই দেখতে চাইবেন সাইটে আর কি কি আর্টিকেল রয়েছে। আর তার মধ্যে কোনটা কোনটা আপনার কাজে আসতে পারে।



এই ছিলো আমাদের আজকের আলোচনা। আর্টিকেলটি শেষ করার আগে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে বলবো SEO Optimization এর ক্ষেত্রে।

১| অন পেইজ এসইও অপটিমাইজেশন করবেন।

২| আর্টিকেলের সাথে মিলে না এমন হেডলাইন ব্যবহার করবেন না।

৩| অন্য সাইট থেকে কপি করে কন্টেন্ট নিজের সাইটে প্রকাশ করবেন না। এতে রেটিং কমে যায়।

৪| ইমেজের টাইটেল অবশ্যই বুঝে শুনে দিবেন।

৫| মেটা ট্যাগ যুক্ত করবেন কন্টেন্টের সাথে মিলিয়ে।

৬| অপ্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।



এই ছিলো আজকের মতো। আশা করি আর্টিকেলটি আপনাদের কাজে লাগবে। আমাদের পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করুন ধন্যবাদ সবাইকে।

@বিডি বাংলার নিউজ